বাংলা হারিয়ে যাচ্ছে, দায়ী আমরাই

ট্যাক্সি থেকে রেস্তোরাঁ, সব জায়গায় আপনাকে হিন্দিতেই কথা বলতে হবে। খাস কলকাতায় বাঙালিরা ক্রমশ প্রান্তিক হয়ে আসছে। আমরা নিজেরাই কি এর জন্য দায়ী নই?‌ এই নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন বেঙ্গল টাইমসে।

নতুন বছরে নতুন চ্যানেল, শুরু থেকেই সংশয়

এমনিতেই অনেক নিউজ চ্যানেল সাড়া জাগিয়ে শুরু করার পর টিমটিম করে জ্বলছে। দু তিনটি নিউজ চ্যানেল ছাড়া বাকিদের টিআরপি বেশ করুন। এই অবস্থায় আরও একটি চ্যানেল বড়জোর কিছুটা ভিন্ন স্বাদ আনতে পারে। কিন্তু ধারাবাহিকতা না থাকলে বা পেশাদারি মুন্সিয়ানা না থাকলে সেই চমক দিয়ে কতদিন চালানো যাবে?‌

‌শুধু পয়লা বৈশাখেই আপনি বাঙালি!‌

পয়লা বৈশাখ এলেই বাঙালিকে আর দেখতে হচ্ছে না। সে নিজেকে ‘‌গর্বিত বাঙালি’‌ প্রমাণ করেই ছাড়বে। অথচ, সারা বছর বাঙালিয়ানাকে শিকেয় তুলে রাখবে। বাংলা বই পড়বে না, বাংলা ছবি দেখবে না, বাংলা গান শুনবে না। কাজকর্মেও বাংলা ভাষাকে দূরে ঠেলে রাখবে। বাঙালি কি বছরে দুটো বা তিনটি দিন শুধু বাঙালি হয়ে উঠবে?‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

আপনার বেড়ানোর কথা, আপনার কলমে

অনেকেই লেখালেখির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত নন। তাই অনেকের মধ্যেই লেখার আগে একটা হীনমন্যতা এসে যায়। সেই হীনমন্যতা ঝেড়ে ফেলুন। আপনি শুধু আপনার অনুভূতির কথা লিখুন। খারাপ হল না ভাল হল, সেই ভাবনা শিকেয় তুলে রাখুন। কোথাও কিছু অসঙ্গতি থাকলে সম্পাদনার পর তা দেখবেন ঠিক হয়ে গেছে। আপনার লেখা সাজিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।

আমি বাংলায় গান গাই

বাংলা ভাষাকে নিয়ে যে কটি স্মরণীয় গান, এই গানটি অবশ্যই থাকবে সামনের সারিতে। অনেকেই শুনেছেন। হয়ত পুরো গানটা জানেন না। যদি লিরিকটা পাওয়া যেত?‌ যদি প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে শোনা যেত?‌ এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। বাংলা নতুন বছরে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।

এক লেখক অন্য লেখকের লেখা পড়ছেন কই ?

পয়লা বৈশাখ মানে মিত্র অ্যান্ড ঘোষের সেই বিখ্যাত আড্ডা। কেমন ছিল সেই আড্ডার স্বাদ?‌ কারা আসতেন?‌ স্মৃতিচারণে মিত্র অ্যান্ড ঘোষ–‌এর কর্ণধার সবিতেন্দ্রনাথ রায়। উঠে এল সাহিত্য ও প্রকাশনা জগতের অনেক অজানা তথ্য। যাঁরা আগ্রহী, জেনে নিন।