মিমি–নুসরত বা মুনমুন–দেবের ওপর রাগ না দেখানোই ভাল। তাঁরা সত্যিই নির্বোধ। লোকসভা কী, একজন এমপি–র দায়িত্ব কী, তাঁরা সত্যিই বোঝেন না। এমনকী, তাঁরা যে এই কাজে চূড়ান্ত অযোগ্য, এই সহজ সত্যিটুকুও বোঝেন না। লোকসভায় জঙ্গিহানা যতটা নিন্দনীয়, এইসব অর্বাচীনদের পাঠানোও ততটাই অপরাধ। লোকসভা ছ্যাবলামি করার জায়গা নয়, এটা অন্তত বুঝিয়ে দেওয়া দরকার। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
প্রার্থী দিয়ে হয়ত পিছিয়ে আসতে হবে। তাহলে, জরুরি বৈঠক ডেকে প্রার্থীঘোষণা কেন? সব আসনে জোট হয়নি বলে কংগ্রেসের জেতা আসনে তৃণমূলকে জেতানোর উদ্যোগ নেওয়া? এর মধ্যে আর যাই হোক, বিচক্ষণতা নেই। লিখেছেন উত্তম জানা।
যে প্রযোজক এই সন্ত্রস্ত আবহে দাঁড়িয়েও এরকম ছবি বানানোর জন্য টাকা ঢালতে পারেন, যে পরিচালক এই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়েও এমন বুকের পাটা দেখিয়েছেন, তাঁকে কুর্নিশ জানাবেন না? আপনার কাটা একটি টিকিট হোক সেই বলিষ্ঠ প্রতিবাদ। লিখেছেন নির্মল দত্ত।
দুজনেই নিজের সাফল্যের ঢাক বাজাচ্ছেন। কিন্তু কর্মসংস্থান ও শিল্প স্থাপনে দুই সরকারই চূড়ান্ত ব্যর্থ। তাই কাউকে ভরসা করতে হয় পুলওয়ামার ওপর, কাউকে বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশের গর্জন শোনাতে হয়। কিন্তু বাস্ত চিত্রটা সাধারণ মানুষের অজানা নয়। লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।