যে কেউ ওই গ্রামে গেলেই বুঝতে পারবেন, ঘটেছে না ঘটেনি। আসলে, ঘটেছে বললে অনেক কেলেঙ্কারি বেরিয়ে আসবে। বেআইনি খাদান কাদের প্রশ্রয়ে চলে, কোথায় কোথায় সেই বখরা যায়, স্থানীয়দের অজানা নয়। জেলার কোন মাতব্বর এর মাথায় আছেন। রাজ্যের কোন লোকটির কাছে আগে ভেট যেত। এখন নজরানা কার কাছে যায়, সবটাই জানা। নিশ্চিত থাকুন, কোনও মূলস্রোত কাগজেই এসব লেখাও হবে না।
গরমের ছুটিতে পাহাড় মন্দ কী? আর তা যদি কামাখ্যা হয়, তাহলে তো বেড়ানো, তীর্থযাত্রা একসঙ্গে হয়ে গেল। কামাখ্যার অনেক অজানা ইতিহাসও এই ফাঁকে জেনে নেওয়া যাক। লিখেছেন বৈশালী গাঙ্গুলী।
প্রিয় পাঠকদের কাছে অনুরোধ, আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। বেঙ্গল টাইমসের নাম নিয়ে কিছু শেয়ার হলে, ওয়েব লিঙ্কটা একটু দেখে নেবেন। bengaltimes.in থাকলে, সেটাই হল বেঙ্গল টাইমসের পোস্ট। যদি অন্য সাইটের লিঙ্ক থাকে, সেটাও পড়তেই পারেন। কিন্তু তার দায় আমাদের ওপর চাপাবেন না। কারণ, ওইসব প্ররোচনামূলক পোস্টের দায় একান্তই তাঁদের