তাহলে, বন্ধুত্ব হয়ে গেল!‌

জয়ললিতা মারা গেলেন। আনন্দবাজারের প্রথম পাতা জুড়ে মমতা ব্যানার্জির লেখা। জয়ললিতাকে শ্রদ্ধা জানানোর থেকেও মমতাকে শ্রদ্ধা জানানোর তাগিদটাই যেন বেশি। অপেক্ষা করুন, এবার সরকারি বিজ্ঞাপন এল বলে। বেঙ্গল টাইমসের মিডিয়া সমাচার বিভাগে এই নিয়ে কলম ধরলেন জেমস হিকি।

প্রশস্তির ঢেউয়ে স্বতন্ত্র সুমন

মিডিয়া সমাচার। এই কলামে মিডিয়ার নানা আলোচনা। পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এবারের বিষয় সুমন চট্টোপাধ্যায়ের অমিত্রাক্ষর। জয়ললিতাকে ঘিরে প্রশস্তির ভিড়ে একটু হলেও অন্যরকম বিশ্লেষণ। তাই নিয়ে আলোকপাত করলেন ঈশ্বর গুপ্ত।

তেত্রিশ বছর কাটল, বর্তমান কথা রাখেনি

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অমরত্ব পাওয়া কবিতা, ‘‌তেত্রিশ বছর কাটল। কেউ কথা রাখেনি।’‌ গতকাল তেত্রিশ বছর কাটল বর্তমান সংবাদপত্রের। দেখা গেল, তারাও কথা রাখেনি। আগে ভগবান ছাড়া কাউকে ভয় করত না। এখন ভগবানের থেকেও বেশি ভয় করে মমতাকে। যে মানুষটা সবথেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন, তিনি বরুণ সেনগুপ্ত। মিডিয়া সমাচার বিভাগে এই নিয়ে লিখলেন হরিশ মুখার্জি।।

মোল্লা নাসিরুদ্দিন বুঝতেন, দিদিমণিও যদি বুঝতেন!‌

সেনা পাঠিয়ে মোদি নাকি রাজ্যদখল করতে চাইছেন। ভারতী ঘোষদের মতো পুলিশ পাঠিয়ে জেলা দখল কে করেন ?‌ রাজ্য ও কেন্দ্র দুই সরকারের ভূমিকার তুলনা করে লিখলেন রজত সেন।

বিমানে ত্রুটি!‌ রাষ্ট্রপতি অন্তত ‘‌খুনের চেষ্টা’‌ বলে বাজার গরম করেননি

বৃষ্টি চৌধুরি ছোট্ট একটি খবর। অনেক কাগজে আছে, অনেক কাগজে নেই। থাকলেও অনেকের নজর পড়েনি। রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি চেন্নাইয়ে জয়ললিতার শেষকৃত্যে হাজির থাকতে চেয়েছিলেন। বিমানে রওনাও হয়েছিলেন। কিন্তু আবার দিল্লি...

মিডিয়া, তুমিও কি মেরুদণ্ড নবান্নে গচ্ছিত রাখিয়াছো?‌

এতদিন মুখে বলা হচ্ছিল ‘‌খুনের চেষ্টা’‌। এবার সেই পাইলটের নামে ‘‌খুনের চেষ্টা’‌র মামলাও রুজু হয়ে গেল!‌ পাইলট নিজে মরে মুখ্যমন্ত্রীকে খুন করতে চেয়েছিলেন?‌ গাঁজাখুরির একটা সীমা থাকে। যাঁরা ফলাও করে এই অভিযোগ ছাপছেন, গ্লোরিফাই করছেন, তাঁরাও বোধ হয় মেরুদণ্ড নবান্নে গচ্ছিত রেখেছেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

হাওড়া ব্রিজটাই বাকি থাকে কেন, সেখানেও ফলক বসিয়ে দিন

নন্দন থেকে রবীন্দ্র সদন। সব নাকি তিনি বানিয়েছেন। ফলাও করে সেই ফলক টাঙিয়েছেন। হাওড়া ব্রিজটাই বা বাকি থাকে কেন?‌ একটু রঙ করে বা টুনি বাল্ব লাগিয়ে, সেখানেও বড় করে ফলক টাঙিয়ে দিন। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

কমরেড, বাস্তবটাকে চিনতে শিখুন

বনধের অস্ত্র এখন অনেকটাই ভোঁতা। এমনিতেই যখন মানুষ বিভ্রান্ত, তখন নতুন করে বিভ্রান্তি ডেকে আনা কি খুব জরুরি ছিল?‌ যাঁরা বামপন্থী বলে নিজেদের মনে করেন, তাঁরাও এই সিদ্ধান্তে হতাশ। লিখেছেন সত্রাজিত চ্যাটার্জি।।

বাপের শ্রাদ্ধ সবাই করে, সন্দীপও করছেন

বাজারে আসছে ডাবল ফেলুদা। নন্দ ঘোষও নেমে পড়েছেন মাঠে। সন্দীপ রায়ের মুণ্ডপাত। তিনি আবার কার কোন পাকা ধানে মই দিলেন?‌ ‌ পড়ুন।

যাক, দেরিতে হলেও তাহলে বুঝলেন!‌

বনধ যে মানুষ চাইছে না, দেরিতে হলেও এই সহজ সত্যিটা বাম নেতৃত্ব বুঝলেন। কিন্তু সবাই বুঝলেন তো ?‌ নাকি আবার নতুন কোনও সুযোগের অপেক্ষায় থাকলেন ?‌ লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।