বনস্পতির ছায়া দিলেন সারাজীবন
গুরুতর অসুস্থ অশোক ঘোষ। কিংবদন্তি এই বাম নেতামাত্র এক সপ্তাহ আগেই সক্রিয় ছিলেন রাজ্য রাজনীতিতে। সক্রিয় রাজনীতির আঙিনায় আর হয়ত দেখা যাবে না ৯৪ বছরের এই যুবককে। কয়েক মাস আগে তাঁকে নিয়ে একটি লেখা ছাপা হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। পাঠকদের অনুরোধে সেই লেখা আবার ছাপা হল। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
রবীন্দ্রনাথকে চ্যালেঞ্জঃ হিম্মৎ থাকলে একটা কথাঞ্জলি লিখুন
ভারী আমার বিশ্বকবি। তখন তেমন প্রতিভাধর কেউ ছিল না। ফাকা মাঠে গোল দেওয়ার মতো নোবেল পেয়ে গেছেন। এমন গীতাঞ্জলি লিখতে অনেকেই পারে। পারতেন একটা কথাঞ্জলি লিখতে ? পারতেন বইমেলায় একসঙ্গে দশটা বই উদ্বোধন করতে ? বাঙালির ঘরে এবার সত্যিকারের নোবেল এল বলে। লিখেছেন রবি কর।।
এক “বিপ্লবী” সন্ধ্যা
বাংলা ছবির এক সময়ের ভিলেন। মোটামুটি এটাই ছিল পরিচয়। কিন্তু কোথায় হারিয়ে গেলেন বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়? এই সময়ের বাংলা ছবিতে তাঁকে সেভাবে দেখা যাচ্ছে না কেন? একঝাঁক প্রশ্ন নিয়ে তাঁর বাড়িতে হাজির অয়ন দাস ও শোভন চন্দ। জবাবে অনেকটাই খোলামেলা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়।।
একটু দূরে, মধুপুরে
একটু পড়শি রাজ্যে গেলে কেমন হয়? ঘরের কাছেই তো আছে মধুপুর। কীভাবে যাবেন, কী দেখবেন ? সন্ধান দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি। পড়ুন। ইচ্ছে হলে এই শীতেই ঘুরে আসুন।
ছোট গল্পঃ সহিষ্ণুতা
মহানায়িকা! না থেকেও আছেন সুচিত্রা
প্রয়োজনে দল ছাড়তে পারেন অধীর
বইমেলার মঞ্চে সরকারি সাফল্যের বিজ্ঞাপন!
আমি মদন বলছি
২৩ জানুয়ারির সারা দেশ যখন নেতাজিকে স্মরণ করছে, তখন মদনবাবুর দিন কাটছে জেলের কক্ষে। কড়া নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে সাংবাদিকরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না। যদি, শুধু আজকের দিনটার জন্য সাংবাদিকরা তাঁর কাছে যেতে পারতেন, কী বলতেন তিনি? কীভাবে স্মরণ করতেন নেতাজিকে? অনুমান করলেন রবি কর।
