সোনার কেল্লা পার্ট টু

(‌ঠিক বছর দশ আগের কথা। মুকুল রায়কে নিয়ে তৈরি হয়েছিল অদ্ভুত এক জল্পনা। তিনি আসলে কোন দলে, তাই নিয়েই ছিল নানা ধোঁয়াশা। মনে হচ্ছিল, তিনি যেন সোনার কেল্লার সেই মুকুল। পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। বেঙ্গল টাইমসে লেখা হয়েছিল সোনার কেল্লা পার্ট টু। লিখেছিলেন রবি কর। সেই লেখা আবার প্রকাশিত হল।)‌

কফিহাউসের হারিয়ে যাওয়া সেই গান

কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

ভিক্টরের পাল্লা কংগ্রেসের দিকেই ঝুঁকে

দলের মধ্যে থেকে লড়াই করার রাস্তাটা বন্ধ। বাধ্য হয়েই অন্য কোনও পথ বেছে নিতে হবে। এক অদ্ভুত বাঁকের মুখে দাঁড়িয়ে। যেখান থেকে অনেকগুলো রাস্তা দেখা যায়।

যত দোষ দিলীপ ঘোষ!‌

মোদ্দা কথা, দিল্লির নেতারা চাননি এখান থেকে তৃণমূল সরে যাক। কেন চাননি, সে তাঁদের সমীকরণ। তাঁরা চেয়েছিলেন, কংগ্রেসকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা যেন একজোট না হতে পারে। সেই কারণে কয়েকটা আঞ্চলিক দলকে অক্সিজেন দিতে হবে। সেই তালিকায় তৃণমূলও আছে।

জঙ্গলের মাঝে কুঁড়েঘরের হাতছানি

ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।

আমার হিসেব একেবারেই মেলেনি

তৃণমূলের তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসা এক বছর হয়ে গেল। এই এক বছরে কত ঝাঁকের কই ঝাঁকে ফিরে এল। কত লোক ইট পেতে আছেন উন্নয়নে সামিল হওয়ার জন্য। বিজেপির বেলুন থেকে একটু একটু করে হাওয়া বের হচ্ছে। বামেরা একটু হলেও হারানো জমি ফিরে পাচ্ছে। যাঁরা বলছিলেন, পরিবর্তন অনিবার্য, তাঁরা নিজেদের মতকে দিব্যি গিলে ফেলছেন। কিন্তু যেটা ভেবেছিলাম, বলেছিলাম, সেটা স্বীকার করতে বাধা কোথায় ? স্রোতের বিপরীতে গিয়ে সেই স্বীকারোক্তিই উঠে এল সরল বিশ্বাসের লেখায়।

‌বলিউডকেও কিন্তু পথ দেখিয়েছিলেন মহানায়ক

হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।

বনস্পতির ছায়া দিলেন সারাজীবন

(‌ ‌আজ ২ জুলাই। কিংবদন্তী জননেতা অশোক ঘোষের জন্মদিন। ঠিক ৪ বছর আগে, তাঁর জন্মদিনে বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। তার কয়েকটি লেখা আবার প্রকাশিত হচ্ছে। যাঁরা আগে পড়েননি, তাঁরা এখন পড়ে নিতে পারেন। যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা আবার পড়লেও মন্দ লাগবে না। )‌

ধন্যবাদ রাহুল, একধাক্কায় সাবালক করে দিলেন গণতন্ত্রকে

এক সময় সবাই বুঝতে পারবেন, ছবিটি কারা বানিয়েছেন, কী উদ্দেশে বানিয়েছেন। তাই অযথা পাবলিসিটি দেওয়ার মানেই হয় না। কোনও প্ররোচনায় পা দেওয়া নয়। উপেক্ষাই সেরা রাস্তা। এই সার সত্যিটা দ্রুত বুঝতে পেরেছেন রাহুল গান্ধী। বোঝালেন, তিনি অন্তত প্রধানমন্ত্রীর থেকে অনেক বেশি দায়িত্বশীল। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

বউ সিরিয়াল দেখে ? ঝগড়া অনিবার্য

আপনার পরিবারের শান্তি বজায় রাখতে গেলে এইসব সিরিয়াল থেকে বাড়ির মেয়েদের দূরে রাখতেই হবে। নইলে অশান্তি, কলহ থেকে মুক্তি নেই। বাংলা সিরিয়ালের মারণ-রোগ নিয়ে লিখলেন সুমিত চক্রবর্তী।