‌গল্প: টার্নিং পয়েন্ট

অমিত ভট্টাচার্য মাথার ওপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। চাকরি যেতে পারে, এমন একটা আশঙ্কা তো ছিলই। হাইকোর্টও এক কলমের খোঁচায় সবার চাকরি নট করে দিয়েছিল। তবু সরকার যখন বলছে, তখন...

‌সম্ভাব্য ‘‌প্রাক্তন’‌

মোদ্দা, কথা বিজেপি, জেডিইউ, এলজেপি জোট আদৌ ক্ষমতায় আসবে কিনা সংশয়। আর এলেও নীতীশ কুমারই ফের মুখ্যমন্ত্রী হবেন, এমনটা বলা যাচ্ছে না। বলা হলেও হয়তো অল্প কয়েকদিনের জন্য। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই অন্য সমীকরণ হাজির হয়ে যাবে। তাই গত বছর নবীনবাবু প্রাক্তন হয়েছেন। এবার নীতীশ কুমার প্রাক্তন হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ‌‌

‌সব কাজেই ঝোলান! আপনি মশাই নির্ঘাত সিবিআই

আপনাকে বলা হয়েছিল, ২ কেজি আলু আনতে। তার বদলে আপনি কত জায়গায় না চক্কর কাটলেন। তারপর রান্নার মাসিকে সেই আলু দেওয়ার বদলে আপনার বিস্তর গবেষণা ও কাগজপত্র জমা দিলেন। সেই রান্নার মাসি বেচারা কী করবেন, বুঝে উঠতেই পারছেন না।

আপনার নাম তাহলে কী দাঁড়াল?‌

উত্তর:‌ সিবিআই‌‌

‌কেষ্টবাবুর প্রতিভা কেউ বুঝলই না

আপনাকে ভাল না বেসে পারা যায় না। তাতে আমাকে যে যা গালাগাল দেয়, দিক। আপনার এই সাহসিকতা দীর্ঘজীবী হোক। যাঁরা রাজ্য চালান, যাঁরা দেশ চালান, আপনার কাছে সবাইকেই বড় কাপুরুষ মনে হয়। এভাবেই সবাইকে নগ্ন করুন। এভাবেই সবাইকে ধর্ষণ করুন। ধর্ষিত হওয়াই এঁদের ভবিতব্য।‌

নেতাজি বলেই পার পেয়ে যাবেন?‌

স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না?‌ তাঁকেও দু–‌চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।

যে কথা তিনি কখনই বলেননি

সজল পাত্র বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সম্পর্কে একটা কথা প্রায়ই বলা হয়, মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার সময় তিনি নাকি বলেছিলেন, আমি চোরেদের মন্ত্রিসভায় থাকব না। তিনি কবে এমনটা বলেছিলেন, কাকে বলেছিলেন, কে...

পার্থর গ্রেপ্তারির তিন বছর?‌ নাকি সিবিআই–‌এর ধ্যাষ্টামোর তিন বছর!‌

না, ২৩ জুলাই পার্থর গ্রেপ্তারির তিন বছর পূর্তি নয়। ২৩ জুলাই আসলে যাঁরা সিবিআই চালান, সেই বীরপুঙ্গবদের অপদার্থতার তিন বছর পূর্তি। তাই এই তিন বছর পূর্তির দিনে পার্থ বা অর্পিতাকে নিয়ে খিল্লি নয়। যদি গালাগাল দিতে হয়, ইডি কর্তাদের দিন। যদি ঘৃণা করতে হয়, দিল্লিতে বসে থাকা ওই নাটের গুরুদের করুন।

বিপ্লব স্পন্দিত বুকে মনে হয়.‌.‌.‌

‘কারাগারে আঠারো বছর’—লেখা নয়, যেন রূপকথা। আজিজুল তখন যুবক। দমদম জেল ভেঙে পালালেন দলবল নিয়ে। ধরা পড়লেন। বেধড়ক মার। মার খেতে কি ভালোবাসতেন আজিজুল?

কমরেড, ডিম–‌ভাতের বৃত্ত থেকে এবার বেরিয়ে আসুন

আজ যাঁরা নানা বাধ্যবাধকতায় ব্রিগেডে, তাঁদের অনেকেই এখনও মনে মনে লাল পতাকা নিয়েই হাঁটছেন। আবার একদিন লাল পতাকার নিশ্চিত আশ্রয়েই ফিরে আসবেন। সেই গরিব গুর্বো মানুষগুলোর ডিম–‌ভাত খাওয়াকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁদের আরও দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন না তো?‌ ডিম–‌ভাত নিয়ে হইচই করতে গিয়ে আসল সমালোচনার জায়গাগুলো আড়াল করে ফেলছেন না তো?‌ লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

গ্রামের মানুষ কেন আসেন, শহুরে লোকেরা বুঝবেন না

তবুও ওঁরা আসেন। ভালবেসে আসেন। শহুরে লোকেরা এই ভালবাসা দেখাতে পারবেন!‌ এঁরা পাশের বাড়ির কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালেও যান না। কেউ মারা গেলে শ্মশানেও যান না। এমনকী নিজের লোকেরা মারা গেলেও ফেসবুকে স্টেটাস দিতেই বেশি ব্যস্ত থাকেন। গ্রামের মানুষের লড়াই ও ভালবাসা তাঁরা বুঝবেন কী করে!‌