অন্যের সমালোচনার আগে আত্মসমালোচনা করুন

সিপিআইয়ের তবু নাম আছে। শতাংশের বিচারে সিপিএমের নামটাই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এত বড় উত্তরপ্রদেশে, গোটা রাজ্যে ভোট এক লাখেরও কম। অন্যের সমালোচনা না করে বাম নেতৃত্ব বরং আত্মসমালোচনা করুন। লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।।

আদালতকে এমন ভূমিকাতেই দেখতে চাই

রাজ্যপালের পদ নিয়ে নানা বিতর্ক। অনেকে মনে করেন, এই পদের দরকার নেই। কিন্তু বিদ্যাসাগর রাও বুঝিয়ে দিলেন, এখনও রাজ্যপাল চাইলে একটা রাজ্যকে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে পারেন। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল এই পদের গুরুত্বকে অনেকটাই বাড়িয়ে দিলেন। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।

আপনাকে বুঝব, এমন শিক্ষা কি সত্যিই আমাদের আছে?‌

কত সহজেই আমরা অমর্ত্য সেনের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলি। ভুলে যাই, তাঁর যোগ্যতা বুঝব, এমন শিক্ষা–‌দীক্ষাই আমাদের নেই। এই দুর্ভাগা দেশে এভাবেই অসম্মানিত হতে হয় এমন বিশ্ববরেণ্যদের। অমর্ত্য সেনকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

‌আপনি মশাই বাজেটের কী বোঝেন?‌

সবাই বাজেট নিয়ে মেতে আছে। অরুণ জেটলি কোথায় ঠিক করলেন, কোথায় ভুল করলেন। স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ কি কম বোঝেন নাকি?‌ তিনিও আচ্ছা করে দু–‌চার কথা শুনিয়ে দিলেন জেটলিবাবুকে।

নাথুরামের আত্মকথা

বেঙ্গল টাইমসে শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ— আত্মকথা। আজ ৩০ জানুয়ারি, গান্ধীহত্যার কলঙ্কিত দিন। এই দিনে যদি নাথুরাম গডসে তাঁর আত্মকথা লিখতেন, কেমন হত?‌ সেই ভাবনা থেকেই এই লেখা। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।

দেশপ্রেম : ভিতরে ? না বাইরে ?

সুরে সুর মেলাতে হবে। তাহলেই আপনি দেশপ্রেমী। প্রশ্ন তুললেই আপনি দেশদ্রোহী। ছাড় পাচ্ছেন না অমর্ত্য সেন, কৌশিক বসু, প্রভাত পট্টনায়েকের মতো অর্থনীতিবিদরাও। নানা মতের দেশ ভারতে একমত চাপানোর চেষ্টা কেন?‌ যাঁরা এমন হইচই করছেন, তাঁরা দেশকে ভালবাসেন তো?‌ লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

সংবিধানের আত্মকথা

‌বেঙ্গল টাইমসে শুরু হল নতুন বিভাগ— আত্মকথা। সপ্তাহে তিন দিন থাকবে এই আত্মকথা। আজ, সাধারণতন্ত্র দিবসে রইল সংবিধানের আত্মকথা। জন্মের ৬৮ বছর পর কী বলতে চায় আমাদের সংবিধান?‌ কেন্দ্র, রাজ্য, পঞ্চায়েত সব জায়গায় সে নির্যাতিত। সেই নির্যাতনের কথা যেন নিজের মুখেই বলতে চাইছে আমাদের সংবিধান।

ভুল তো অনেকেই করেন, শুধরে নিতে কজন পারেন ?‌

প্রসূন মিত্র দেওয়ালের লিখনটা ঠিকঠাক পড়তে পেরেছেন। তাই আর সংঘাতের রাস্তায় নয়, বরং ছেলেকে ফিরিয়ে নেওয়াই শ্রেষ্ঠ মনে করলেন মুলায়ম সিং যাদব। চ্যানেল থেকে কাগজের শিরোনাম, পিছু হটলেন মুলায়ম। কেউ...

অমল ও চাওআলা

বাড়িতে একাকী অমল। হঠাৎ আগমন এক চাওয়ালার। এই শীতে দইওয়ালার থেকে চাওয়ালাই ভাল। দুজনের গপ্পো শুরু হয়ে গেল। লেখা হয়ে গেল নতুন এক ডাকঘর। রবি ঠাকুর ক্ষমা করবেন।

দেখি, কেমন ভূমিকম্প হয়

রাহুল গান্ধী মুখ খুললেই নাকি সংসদে ভূমিকম্প হবে। গত দশ বছরে পার্লামেন্টে যে সব ভাষণ দিয়েছেন, পাড়ার পল্টুদা বা জগাইদা চায়ের দোকানে তার থেকে ঢের ভাল ভাষণ দেয়। সরকারও তেমনি। এত কীসের ভয়, কী জানি!‌ রাহুলকে প্রতিপক্ষ ভেবে ভেবে তাঁদের বুদ্ধিটাও ভোঁতা হয়ে গেছে। লিখলেন নন্দ ঘোষ।।