উত্তম কুমার শেষ, বাংলা ছবিও শেষ

বিতর্কঃ উত্তম কুমার শেষ, বাংলা ছবিও শেষ। পক্ষে-বিপক্ষে বেশ কিছু চিঠি এসেছে। আজ দুটি চিঠি প্রকাশ করা হল। দুটিই ভিনরাজ্য থেকে পাঠানো। আগামী সাতদিনে আরও কিছু লেখা প্রকাশিত হবে। আজ প্রথম কিস্তি।

পুরানো সিরিয়াল ফিরিয়ে আনা যায় না?

যাঁরা সারাদিন সিরিয়ালে মুখ গুঁজে থাকেন, তাঁরা বোধ হয় জানেন না আটের দশক বা নয়ের দশকে কেমন সিরিয়াল হত। তেরো পার্বন, সেই সময়, আদর্শ হিন্দু হোটেল- এসব কালজয়ী সিরিয়ালকে আবার ফিরিয়ে আনা যায় না? টিভি চ্যানেলগুলির কাছে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।

উত্তম সপ্তাহঃ বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য

আগামী ২৪ জুলাই উত্তম কুমারের মৃ্ত্যুদিন। বেঙ্গল টাইমসের পক্ষ থেকে থাকবে বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য। ২৪-৩১ জুলাই পুরো সপ্তাহ জুড়ে থাকবে উত্তম কুমারকে নিয়ে বিভিন্ন আকর্ষণীয় লেখা। আপনারাও লেখা পাঠাতে পারেন। দয়া...

আর কোনও ভোকাল টনিকে তাঁর ঘুম ভাঙবে না

ইউরো ফাইনালের রাত। বিষণ্ণ কলকাতা। যিনি ইউরোপের ফুটবলের দরজা খুলে দিয়েছিলেন, এমন দিনে তিনি নেই! বেঙ্গল টাইমসের পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধার্ঘ্য চির-লড়াকু কোচকে। কয়েকদিন আগে প্রকাশিত একটি লেখা ফের ছাপা হল। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
স্বরূপ গোস্বামী ।।

মুখুজ্যের সঙ্গে আলাপ

ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ বসন্ত। অমরত্ব পাওয়া এই লাইনগুলি লিখেছিলেন পদাতিক কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। আজ তাঁর মৃত্যুদিন। দেখতে দেখতে তেরো বছর হয়ে গেল। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্ত তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর। পড়ুন, ভাল লাগবে।

বাবার মতোই আগলে রাখতেনঃ রমলা

নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতেন জ্যোতি বসুকে। জ্যোতিবাবুর জন্মদিন মানেই তাঁর অন্যরকম ব্যস্ততা। প্রতিবার ইন্দিরা ভবনে এই দিনটা পালন করতেন। স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন রমলা চক্রবর্তী। উঠে এল জ্যোতিবাবু সম্পর্কে অনেক অজানা কথা।

জ্যোতিবাবু বনের বড় বাঘের মতোঃ বুদ্ধদেব গুহ

গত বছর জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। গত বছর বেঙ্গল টাইমসে ছাপা হয়েছিল। তার কিছু নির্যাস এবারও তুলে ধরা হল ।

ন্ঈমু্দ্দিনের না লেখা চিঠি

অমল দত্ত থাকতে আমি! প্লিজ, ক্ষমা করুন। আমাকে আপনারা পরেও মোহনবাগান রত্ন দিতে পারবেন। কিন্তু এবার এই সম্মানটা অমলদাকে দিন। সেই পুরস্কার আমি তুলে দেব। সেটাই হবে আমার গুরুদক্ষিণা। নঈমুদ্দিনের বয়ানে মোহনবাগান কর্তাদের এমনই এক আর্জি জানালেন ময়ূখ নস্কর।

পিকে, প্লিজ অমল দত্তর বাড়ি থেকে একবার ঘুরে আসুন

সিপিএম-তৃণমূল বা মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের লড়াই তো আছেই। ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির বাগযুদ্ধ ? সবাইকে ছাপিয়ে যেতে পারে পিকে-অমল জুটি। সেই অমল দত্ত শয্যাশায়ী, বাকরুদ্ধ। কাউকে নাকি চিনতেও পারছেন না। পি কে ব্যানার্জি, প্লিজ আপনি একবার বাগুইআটির বাড়িতে যান। আপনার ভোকাল টনিক দিয়ে উজ্জীবিত করে আসুন চির প্রতিদ্বন্দ্বীকে। কিংবদন্তি কোচকে নিয়ে মর্মস্পর্শী লেখা লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

ববিদা, আপনি বাঙালির মুখ উজ্জ্বল করলেন

বাকিরা হাত পেতে টাকা নিলেন। যা পেলেন, তাই নিলেন। একমাত্র হাকিমবাবু নিলেন না। বললেন, এই টাকা আমরা নিলে ছোট ছেলেরা কী নেবে? বুঝিয়ে দিলেন, মাত্র পাঁচ লাখে তাঁকে কেনা যায় না। তাঁর এই মহানুভবতা ও স্বার্থত্যাগকে বাঙালি বুঝল না। এই আকালে বাঙালির মর্যাদা তিনিই রক্ষা করলেন। তাঁকে খোলা চিঠি লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।