বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নেতাজিকে চেনেন!‌

কাউকে মহান করতে গিয়ে অন্যদের ছোট করতে বাঙালির জুড়ি নেই। নেতাজিকে মহান করতে গিয়ে আমরা কত লোককে অহেতুক ছোট করি। আমাদের যত আগ্রহ নেতাজির মৃত্যু নিয়ে। কথা বললেই বোঝা যায়, নেতাজি সম্পর্কে এঁরা প্রায় কিছুই জানেন না। লিখেছেন সুমিত চক্রবতী।।

‌এখন থাকলে বুঝতাম, কেমন মহানায়ক

নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। এমনকী রবি ঠাকুর বা নেতাজিরও রেহাই নেই। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে না হয় একটু ভিন্ন সুর থাকল। পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।

চাঁদে গিয়েছিলেন? ইয়ার্কি মারার জায়গা পাননি?

২০ জুলাই নাকি চাঁদে পৌঁছেছিলেন নিল আমস্ট্রং। ছোট থেকে ইতিহাসে আমরা সবাই এমনটাই পড়ে এসেছি। কিন্তু নন্দ ঘোষ বললেন, কভি নেহি। আমস্ট্রং মোটেই চাঁদে যাননি। এবার নন্দ ঘোষের কড়চায় একহাত নিলেন আমস্ট্রংবাবুকে।

দু–‌চার কথা নেতাজিকেও শোনানো যায়

স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না?‌ তাঁকেও দু–‌চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।

ভাল করে ভাবুন, লতার তেমন কৃতিত্বই নেই

সকাল থেকেই রেডিওতে লতা মঙ্গেশকারের গান। শুনে ফেলেছেন নন্দ ঘোষ। তাঁর দাবি, লতাকে নিয়ে অহেতুক বাড়াবাড়ি করা হয়। তাই নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, কার ঘাড়ে কটা মাথা ? অতএব, তিনি বেসুরো গেয়েই ফেললেন।

এখন পাড়ায় পাড়ায় বিদ্যাসাগর

এই রে! নন্দ ঘোষ জেনে গেছেন, আজ বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। তাঁর দাবি, তিনি বিদ্যাসাগর নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, এমন সাধ্য কার আছে ? আসুন দেখা যাক, জন্মদিনে তিনি কীভাবে শ্রদ্ধা (সরি, শ্রাদ্ধ) জানান।

দুই ম–‌এর রোগ ধরেছে সৌরভকেও

গেছেন লন্ডনে ধারাভাষ্য দিতে। ডাক পেয়েছেন এমসিসি–‌র মিটিয়ে। সেই মিটিং থেকে সেলফি তুলে খাঁচিয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁকেও কিনা সেলফি তুলে নিজের ঢাক পেটাতে হচ্ছে!‌ বাংলার মহারাজের জন্য এবার কলম ধরলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।

এখন থাকলে বুঝতাম, কেমন মহানায়ক

নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।।

একটা উত্তম কুমার ছিলেন, তাই উতরে গেছেন

সাফ কথা, উত্তম না থাকলে সুচিত্রা অচল। অথচ হরেক বায়নাক্কা। উত্তমের থেকে বেশি টাকা চাই। পোস্টারে নাম আগে থাকবে। কিন্তু অভিনয়? সত্যিকারের মহানায়িকা হলে, অন্যদের সঙ্গে ছবি হিট হত। যেমন হত উত্তমের। সুচিত্রার অভিনয় জীবনের তিনটে সম্বল। সন্ধ্যার গান, উত্তমের অভিনয় আর ঘাড় ঘুরিয়ে চোখ টেরিয়ে তাকানো। নন্দ ঘোষের শিকার এবার সুচিত্রা সেন।

চাঁদে গিয়েছিলেন? ইয়ার্কি মারার জায়গা পাননি?

২০ জুলাই নাকি চাঁদে পৌঁছেছিলেন নিল আমস্ট্রং। ছোট থেকে ইতিহাসে আমরা সবাই এমনটাই পড়ে এসেছি। কিন্তু নন্দ ঘোষ বললেন, কভি নেহি। আমস্ট্রং মোটেই চাঁদে যাননি। এবার নন্দ ঘোষের কড়চায় একহাত নিলেন আমস্ট্রংবাবুকে।