উত্তরসূরীকে ঠিক চিনেছিলেন দেশবন্ধু
বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। কখনও তাঁরা একে অন্যের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। কখনও যেন গুরু–শিষ্য। আবার কখনও পিতা–পুত্র। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সেই সম্পর্কে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।
বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। কখনও তাঁরা একে অন্যের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। কখনও যেন গুরু–শিষ্য। আবার কখনও পিতা–পুত্র। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সেই সম্পর্কে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।
সঞ্জয় রায় শুধু একজন মহিলাকে ধর্ষণ করেছেন। এই ‘প্রভাবশালী’রা দেশের সংবিধান, বিচার থেকে শুরু করে আপনার–আমার বিশ্বাসকে ধর্ষণ করেছেন। ঘৃণা যদি করতে হয়, এঁদের করুন।
শীত এলেই ওরা হাজির। বছরের পর বছর পরিযায়ী পাখিরা হাজির হয়ে যায় সাঁতরাগাছির ঝিলে। কেমন আছে সেই পরিযায়ীর দল?
মধ্য কলকাতার কোনও জায়গায় যদি সারাদিন কাটান, মনেই হবে না আপনি বাংলায় আছেন। এমনকী বাঙালিরাও বাংলা বলতে চাইছেন না। বাসের ড্রাইভার, কনডাক্টর, অটোচালক হিন্দি বলতেই ব্যাকূল।
বাংলাদেশের কোন এক প্রাক্তন সেনা যুদ্ধের হুঙ্কার দিলেন। অমনি আমাদের চ্যানেলে সন্ধের প্রাইম টাইমে রীতিমতো গ্রাফিক্স করে দেখানো হল, আমাদের হাতে কটা সাবমেরিন, বাংলাদেশের হাতে কটা। আমাদের কটা ফাইটার প্লেন, বাংলাদেশের কটা। আমাদের নৌবাহিনিতে কজন কাজ করে, বাংলাদেশে কজন। অর্থাৎ, দু’ঘণ্টা ধরে বোঝানো হল, ভারত বাংলাদেশের থেকে সামরিক শক্তিতে এগিয়ে। বিস্তর গবেষণা করিয়া, গবেষকরা এই সিদ্ধান্ত উপনীত হইলেন যে, গরু ঘাস খায়।
আন্তর্জাতিক সাফল্য বা স্বীকৃতি না এলে বাঙালি ঘরের মানুষকে ঠিক চেনে না। রবীন্দ্রনাথ নোবেল না পেলে তিনি কি এতখানি শ্রদ্ধার পাত্র হতেন? আর দশজন কবির সঙ্গে কি আমরা তাঁকে গুলিয়ে ফেলতাম না! সত্যজিৎ রায় অস্কার না পেলে তিনি কি আমাদের কাছে ‘বিশ্ববরেণ্য’ হয়ে উঠতেন! অর্থাৎ, বিশ্ব যখন চিনিয়ে দেয়, তখন আমরা চিনতে শুরু করি।
বিনয়ী রাহুল বা অতি ভদ্র লক্ষ্মণ কীই বা বলতে পারতেন! হয়তো মনে মনে বলছিলেন, ‘পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত।’ শোলে–তে সেলিম–জাভেদের চিত্রনাট্যে যতটা না চমক ছিল, ব্যাট হাতে তার থেকেও জমকালো চিত্রনাট্য সেদিন লিখেছিলেন লক্ষ্মণ–রাহুল। চতুর্থদিন পুরো ব্যাট করেছিলেন। সারা দিন ধরে হাজার চেষ্টা করেও এই জুটি ভাঙতে পারেনি অসি ব্রিগেড। আর শেষদিনে ‘পাঞ্জাব কা পুত্তর’ হরভজনের বাজিমাত তো ছিলই।
ভাবা যায়, যিনি পথের পাঁচালির দুর্গা, তিনি ভবিষ্যতে আর কোনও সিনেমাই করেননি! প্রস্তাব আসেনি, এমন নয়। দুর্গা আবার পর্দায় ফিরছেন, এমন জানলে যে কোনও পরিচালকই সাদরে বরণ করে নিতেন। হয়তো তাঁকে কেন্দ্র করেই তৈরি হত চিত্রনাট্য। ঠিক যেমন অপুর জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌশিক গাঙ্গুলির অসামান্য ছবি ‘অপুর পাঁচালি’।