আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

আমাদের কাছে পয়লা বৈশাখ ছিল অন্য এক উন্মাদনা। যার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এখনকার পয়লা বৈশাখের সঙ্গে সেদিনের সেই নির্মল আনন্দের কোনও তুলনা হবে না। সত্যিই, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।

শরৎ, হেমন্ত, বসন্ত আসলে গ্রীষ্মের তিন রূপ

আমাদের ছোটবেলায় শরৎকাল, বসন্তকাল নিয়ে রচনা আসত। কেউ কেউ ঝেড়ে মুখস্থ করত। আবার কেউ কেউ নিজেদের অভিজ্ঞতা মিশিয়ে এটা–‌সেটা কিছু একটা লিখে আসত। এখনকার যা সিলেবাস, বোধ হয় এসব রচনা আর আসে না। আর এলেও বানিয়ে লেখা বোধ হয় সম্ভব নয়। কারণ, শরৎকালের সঙ্গে বসন্তকালের কী ফারাক, দৈনন্দিন জীবনে তা বুঝে ওঠার সত্যিই কোনও উপায় নেই। দুটোই আসলে গরমকালের দুই রূপ।

হঠাৎ করেই যেন সাবালক হয়ে যেতাম

ছোটবেলার পুজো বলতে বারবার মনে পড়ে সরস্বতী পুজোর কথা। দুর্গাপুজো নিয়ে বাঙালির আবেগের শেষ নেই। কিন্তু কেন জানি না, সেই আবেগ ছোটবেলায় সেভাবে স্পর্শ করেনি। তার থেকে অনেক বেশি আপন...

হঠাৎ করেই যেন সাবালক হয়ে যেতাম

ছোটবেলার পুজো বলতে বারবার মনে পড়ে সরস্বতী পুজোর কথা। দুর্গাপুজো নিয়ে বাঙালির আবেগের শেষ নেই। কিন্তু কেন জানি না, সেই আবেগ ছোটবেলায় সেভাবে স্পর্শ করেনি। তার থেকে অনেক বেশি আপন...

১৬ বছরের বিস্ময়বালক ও ৩৫ বছর আগের সুখস্মৃতি

সেই আবহেই এসে গেলেন শচীন তেন্ডুলকার। ষোল বছরের একটা ছোট্ট ছেলে। তখনও গোঁফ গজায়নি। প্রথম টেস্ট ছিল করাচিতে। সেই টেস্ট টিভিতে দেখানো হয়নি। যতদূর মনে পড়ে, পরের টেস্টও টিভিতে দেখানো হয়নি। দেখেছিলাম শেষ দুটো টেস্ট। অর্থাৎ, লাহোর আর শিয়ালকোট। ছেলেটার ব্যাটিং দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। এই বাচ্চা ছেলেটা ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রামদের কী অনায়াসে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির সরণি বেয়ে ….

জীবনে চলার পথে হারিয়ে যাওয়া কোনও বন্ধুর সেই দুষ্টুমির কথা উঠে আসতেই পারে। কোনও মাস্টারমশাইয়ের ধমক বা স্নেহের শাসন, সরস্বতী পুজো বা দুর্গা পুজোর ছোট ছোট ঘটনা, যেগুলো মাঝে মাঝেই মনে পড়ে যায়। লড়াইয়ের দিনগুলোয় কারা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত? জীবনের এতটা পথ পেরিয়ে আসার পর যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে ইচ্ছে করে, সেই দরজা খোলা থাক।

ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

তারপরেও ভোলেবাবা গেছি। কিন্তু আর কখনও গঞ্জিকা চক্করে পড়িনি। তবে এখনও কাউকে ভোলেবাবা যেতে দেখলে গন্ধেশ্বরীর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যটা মনে পড়ে যায়।

আড্ডা নিয়ে লেখা গান, তৈরি হল নতুন ইতিহাস

আড্ডা নিয়ে একটা গান লিখতে পারো তো। কফি হাউসের ওই আড্ডা নিয়েও তো গান হতে পারে। গৌরীপ্রসন্নর কাছে আবদার রাখলেন অনুজপ্রতিম সুপর্ণকান্তি। যেমন কথা, তেমন কাজ। লিখেও ফেললেন গৌরীপ্রসন্ন। শেষ কয়েকটা লাইন লিখেছিলেন হাওড়া স্টেশনে বসে, সিগারেটের খাপের উল্টোদিকে। সেই কালজয়ী গানের আড়ালের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।

ভিভ মানেই এক অলস আভিজাত্য

ক্রিকেটের সম্রাট বলে যদি কেউ থেকে থাকেন, তবে সেটা ভিভ রিচার্ডস। তাঁর থেকে বেশি রান বা সেঞ্চুরি অনেকেই করেছেন। তাঁর থেকেও কম বলে সেঞ্চুরিও অনেকে করেছেন। কিন্তু তাঁদের কাউকেই রিচার্ডসের আশেপাশে বসানো যায় না। ভিভ মানেই কৈশোরের সেই মুগ্ধতা। ভিভ মানেই একটা অলস আভিজাত্য। ভিভ মানেই একটা রাজকীয়তা।

গীতা মুখার্জির পাঠশালায় নারীর মুক্তি

‌কেমন ছিলেন অতীত দিনের দিকপাল সেই সাংসদরা?‌ কেন এতবছর পরেও তাঁদের আমরা মনে রাখি?‌ এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধাঞ্জলি গীতা মুখার্জিকে। লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।।