বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদনঃ কত চিঠি লেখে লোকে, কত সুখে প্রেমে আবেগে স্মৃতিতে কত দুঃখে ও শোকে। তিমিরের চিঠি একেবারেই অন্য রকম। ব্যক্তিগত অনুভূতির পরিসর এখানে কম। তাঁর চিঠি জনতার কথা ভেবে। তাঁর চিঠি রাঢ়ের জনপদের কথা ভেবে।
খুব ছোট থেকেই কলকাতার বিভিন্ন সংবাদপত্রে চিঠি লিখতেন তিমিরকান্তি পতি। বলা যায়, সেই থেকেই সাংবাদিকতার হাতেখড়ি। সেই চিঠিতে থাকত এলাকার নানা সমস্যার কথা। সেই চিঠিতেই অনেক সময় টনক নড়েছে প্রশাসনের। সেই চিঠিই হয়ে উঠেছে মুশকিল আসানের ঠিকানা।
সেই তিমির আজ জেলার পরিচিত এক সাংবাদিক। একইসঙ্গে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় দাপিয়ে বেড়ানো একটি নাম। কিন্তু নিজের শিকড়কে ভোলেননি তিমির। ভোলেননি পত্র সাংবাদিকতার সেই নস্টালজিক দিনগুলো। কাগজে প্রথম চিঠি ছাপার আনন্দ, ছাপা অক্ষরে প্রথমবার নাম দেখার রোমাঞ্চ নিশ্চয় ভুলে যাননি এই লড়াকু সাংবাদিক। সেইসব চিঠি সংকলিত করে প্রকাশিত হল দারুণ একটি বই- ‘প্রিয় সম্পাদক’।

এক মলাটে অনেক চিঠির সমাহার। বৈচিত্র্যে অনন্য। চিঠিতে চেনা যাবে অন্তর্মুখী ত্রিদিবকে। চেনা যাবে তাঁর রাঢ় বাঁকুড়া ও জঙ্গল মহলকে। অনুভব করা যাবে সময়ের এই বিবর্তনকেও।
মহালয়ায় এই বইটির উদ্বোধন হল বড়জোড়ার পখন্নায়। উদ্বোধন করলেন গল্পকার আশিস মিত্র। উদ্বোধন হল সুব্রত চক্রবর্তী, রামামৃত সিংহমহাপাত্র, অরুণচন্দ্র পতি, চিত্তরঞ্জন চক্রবর্তীর গল্প সংকলন। সাত কবির কবিতা সংকলন- সপ্তর্ষীর আলো। মহুল সম্মান দেওয়া হল গৌর কারক, মানবেন্দু রায়কে। হাজির ছিলেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু তন্তুবাইসহ আরও অনেকে।
