জটায়ু আসলে কে? হাইলি সাসপিসিয়াস
সহজ কথা যায় না বলা সহজে
সহজ নামটার প্রতি রাহুলের একটা দুর্বলতা থাকারই কথা। কিন্তু অনুষ্ঠানটা সহজ–সরল রাখা খুব সহজ ছিল না। যেমন, একবার ডেকে আনলেন ট্যুর ভ্লগার শিবাজি গাঙ্গুলিকে। সঙ্গী পৃথ্বীজিৎ। ভ্রমণের কত অজানা দিক উঠে এল সেই মুখোমুখি আড্ডায়। যাঁরা বেড়াতে ভালবাসেন, তাঁদের কাছে যেন অমূল্য সঞ্চয়। অন্য কোনও পডকাস্টার এভাবে শিবাজিকে ডেকে এনে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা পরিসরকে এভাবে তুলে ধরার কথা হয়তো ভাবতেই পারতেন না।
এক ঘণ্টায় বিরিয়ানি আসে, বই তো আসে না
বেঙ্গল টাইমস।। ই ম্যাগাজিন।। ১ ডিসেম্বর সংখ্যা
ভাইপো নয়, এবার ‘ভাগ্নে’ বলতে শিখুন
আর তাঁকে ভাইপো ভাইপো বলে ডাকার কোনও মানে হয় না। ভাইপো হয়ে রাজ্যের গন্ডিতে সুরক্ষিত থাকা যায়, মাতব্বরি করা যায়। কিন্তু ‘ভাইপো’ তকমাটা সিবিআইয়ের কাছে বাঁচার জন্য যথেষ্ট নয়। সেখানে আরও প্রভাবশালী কারও ‘ভাগ্নে’ হতে হয়। কাজেই সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে তাঁকে মোদির ‘ভাগ্নে’ বলা যায় কিনা, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভেবে দেখতে পারেন।
কী কেন্দ্র, কী রাজ্য, জল ঘোলা করাতেই যত আনন্দ
প্রশ্নটা হল সদিচ্ছা আর শিক্ষা নিয়েই। শিক্ষা মানে নিছক ডিগ্রি নয়। প্রশাসন চালাতে গেলে ন্যূনতম কিছু প্রশাসনিক শিক্ষাদীক্ষা লাগে। জালি ডিগ্রি হয়তো জোগাড় করা যায়, কিন্তু তাতে শিক্ষার ঝুলি অপূর্ণই থেকে যায়। কী কেন্দ্র, কী রাজ্য, এই শিক্ষার বড়ই অভাব। মাথাগুলোকে দেখলেই সেটা আরও ভাল করে বোঝা যায়। চেয়ারকে অনেক সম্মান দেখানো হয়েছে। আকাট মূর্খদের এবার আকাট মূর্খ বলার সময় এসেছে।
আসল কাজটা সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে
সবাই সবকিছু বোঝে। কাউকে কিছু বোঝাতে যাবেন না। আপনি যেটা ফেসবুক দেখে জেনেছেন, সেই মানুষটা সেটা জেনেছেন জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে। রাস্তায় নামা, গণ আন্দোলন গড়ে তোলা। এগুলো তো অনেক বড় ব্যাপার। আগে এই ছোট ছোট কাজগুলো শুরু হোক। শূন্যের গেরো এমনি এমনি কাটবে না। কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে।
শূন্য পাওয়া পিকেই কিন্তু ম্যান অফ দ্য ম্যাচ
এত সহজে সরে যাওয়ার বান্দা তিনি নন। অন্তত আরও পাঁচটা বছর তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। ডাক শুনে কেউ না এলে তিনি একলাই চলবেন। কে বলতে পারে, পাঁচ বছর পর বিহারে অন্য এক ইতিহাস লেখা হবে না!
