শুধু শরিকদের ঘাড়ে দায় চাপালে যন্ত্রণা মিটবে তো!‌

এটা ঘটনা, শরিকদের বেশ কিছু আসনে জয়ের পেছনে সিপিএমের ভূমিকাই প্রধান। সিপিএম আশি, তো শরিকরা হয়তো কুড়ি। কিন্তু সব জায়গার চিত্রটা এমন নয়। কোচবিহারে ফরওয়ার্ড ব্লকের শক্তি বা চা–‌বলয়ে আরএসপির সাংগঠনিক শক্তি কতখানি, তা কলকাতায় বসে বোঝার কথা নয়। সাতের দশক বা আটের দশকের কথা নয়। সাম্প্রতিক অতীতেও বহুবার তার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

‌তেইশ বছর পরেও জীবন্ত ইডেনের সেই রূপকথা

বিনয়ী রাহুল বা অতি ভদ্র লক্ষ্মণ কীই বা বলতে পারতেন!‌ হয়তো মনে মনে বলছিলেন, ‘‌পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত।’‌ শোলে–‌তে সেলিম–‌জাভেদের চিত্রনাট্যে যতটা না চমক ছিল, ব্যাট হাতে তার থেকেও জমকালো চিত্রনাট্য সেদিন লিখেছিলেন লক্ষ্মণ–‌রাহুল। চতুর্থদিন পুরো ব্যাট করেছিলেন। সারা দিন ধরে হাজার চেষ্টা করেও এই জুটি ভাঙতে পারেনি অসি ব্রিগেড। আর শেষদিনে ‘‌পাঞ্জাব কা পুত্তর’ হরভজনের বাজিমাত তো ছিলই।‌