বিশ্বকাপের প্রস্তুতি চালিয়ে ছিলেন নীরবে

তখনও ফেসবুক ছিল না। নিজেকে জাহিরের তীব্র তাগিদও ছিল না। একে মফস্বল, তার ওপর বাংলা মাধ্যম। জন্মগত প্রতিভা নয়, ঘসে মেজে নিজেকে তৈরি করা। অশোক দাশগুপ্ত বা ধীমান দত্ত বা রূপায়ণ ভট্টাচার্যের মতো দুর্ধর্ষ লেখনি ছিল না। পার্থ রুদ্রর মতো এমন সাবলীল ইংরাজিও ছিল না। রূপক সাহা বা জয়ন্ত চক্রবর্তীদের মতো অভিজ্ঞতার সমৃদ্ধ ভাণ্ডারও ছিল না। আসলে, অরুণ সেনগুপ্ত জানতেন, তাঁর সীমাবদ্ধতা কোথায়!‌ তিনি জানতেন, তিনি কী পারেন। তিনি জানতেন, তিনি কী পারেন না। এই পরিমিতি বোধটা কজনের থাকে!‌

ছদ্মবেশী থেকে পুরোদস্তুর রিপোর্টার

ভার পড়ল অরুণ সেনগুপ্তর ওপর। সকাল হলেই প্র‌্যাকটিসে চলে যাওয়া। ভিড়ে মিশে যাওয়া। ফিরে এসে যা যা দেখলেন, সেগুলো বলা। সেগুলো শুনে কেউ একজন লিখে ফেললেন। আস্তে আস্তে নিজেও লিখতে শুরু করলেন। কর্তারাও অবাক। আজকালের লোক মাঠে আসছে না, অথচ, সব খবর পেয়ে যাচ্ছে কীভাবে?‌

এত ক্রিকেট কেন?‌

ধীমান সাহা চাল নেই, ডাল নেই, পয়সার দাম নেই তবুও টিভি স্ক্রিনে খেলার বিরাম নেই। সেই কোনকাল আগে শোনা গানের লাইন। তিন দশক পেরিয়ে গেল। নচিকেতার এই লাইনগুলো বারবার মনে...