‌শুধুই উত্তম? বাকিরা? তাঁদের ভুলে যাবেন?‌

উত্তম কুমারকে বড় করতে গিয়ে আমরা অহেতুক বাকিদের ছোট করে ফেলি। ভুলে যাই সেই সময়টাকে। প্রত্যেকেই যেন একেকজন দিকপাল। কাকে ছেড়ে কার কথা বলবেন? অথচ, সেই মানুষগুলো উত্তমের আড়ালেই থেকে যান। সেই পরিমণ্ডলে কারা ছিলেন? তুলে আনলেন সরল বিশ্বাস।

‌কেন যে মহালয়া করতে গেলেন!

একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? বাংলার সাধারণ মানুষ বিষয়টিকে কীবাবে দেখেছিলেন?‌ কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে।

কেন সফল হতে পারলেন না বলিউডে?

‌কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ? অনেক অজানা...

‌এখন থাকলে বুঝতাম, কেমন মহানায়ক

নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। এমনকী রবি ঠাকুর বা নেতাজিরও রেহাই নেই। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে না হয় একটু ভিন্ন সুর থাকল। পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।

‌তার ছিঁড়ে গেছে কবে!

উত্তম–‌সুচিত্রা। পরপর উচ্চারিত হয় নাম দুটো। প্রায় প্রবাদ হয়ে গেছে। কিন্তু একটু তলিয়ে পোস্টারগুলো দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন। অধিকাংশ ছবির পোস্টারেই কিন্তু উত্তম–‌সুচিত্রা নয়, লেখা আছে সুচিত্রা–‌উত্তম। অর্থাৎ, সুচিত্রার নাম আগে। এটাই নাকি সুচিত্রার শর্ত ছিল। নীরবে মেনেই নিয়েছিলেন মহানায়ক। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

ট্রেনের কামরায় জমজমাট আড্ডায় পিকে-উত্তম

উত্তম কুমারকে নিয়ে তাঁর অনেক স্মৃতি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, আড্ডায় মাঝে মাঝেই বলতে শোনা যেত। সেই পি কে ব্যানার্জি আর নেই। কত অজানা গল্প হারিয়ে গেল। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে, আড্ডায় ট্রেনের এক সকালের স্মৃতি মেলে ধরেছিলেন পি কে ব্যানার্জি।

‌কত গানকে নতুন জীবন দিয়েছেন!

যে গান বাবার কণ্ঠে মানুষের কাছে পৌঁছল না, সেই গান কিশোরের কণ্ঠে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল। কিশোর কুমারের অবদানকে এতটুকুও ছোট করছি না। কিন্তু এক্ষেত্রেও একটা বড় কারণ উত্তম কুমার। তিনি লিপ না দিলে হয়ত গানটা এতখানি হিট নাও হতে পারত। স্মৃতিচারণ সৈকত মিত্রর।

‌হাতে আসা সুযোগ হেলায় হারিয়েছেন

বারবার সুযোগ এসেছে। কখনও নিজের সিদ্ধান্তে, কখনও অন্যের বুদ্ধিতে, বারবার সেই সুযোগ ফিরিয়ে দিয়েছেন। পরে বোঝা গেছে, সেই সিদ্ধান্তগুলো নিতান্তই ভুল ছিল। নিজেও বারবার আক্ষেপ করেছেন। সেদিন ঠিকঠাক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে উত্তম হয়ত ‘‌সর্বোত্তম’‌ হয়ে উঠতেই পারতেন। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

‌শ্রেষ্ঠত্বের মাঝেও ওই তিনটি প্রশ্ন থেকেই গেল

উত্তম কুমারের মৃত্যুদিন বহুচর্চিত। কিন্তু জন্মদিন কেন সাদা কালো?‌ উত্তমের নায়িকা বলতে সুচিত্রা বা সুপ্রিয়ার নাম ভেসে ওঠে। সাবিত্রীর মুখ কেন ভেসে ওঠে না?‌ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যদি পূব আকাশের উত্তমের গায়ক হন, যদি মাঝ আকাশে শ্যামল মিত্র–‌মান্না দে থাকেন, তাহলে শেষযাত্রার উত্তম কেন কিশোর কুমারে ভরপুর হবে না?‌ তিন প্রশ্ন উস্কে দিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

‌হলে গিয়ে উত্তম কুমারের ছবি দেখেছেন!‌

উত্তম কুমারের নাম শুনলেই বাঙালি এমন একটা ভান করে, যেন কতই না জানে। অথচ, এর মধ্যে একটা অদ্ভুত ফাঁকিবাজি রয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের কথা ছেড়ে দিন। যারা মাঝবয়সী, তাদের জিজ্ঞেস করুন তো, উত্তমের কোনও ছবি হলে গিয়ে দেখেছেন কিনা। আমি নিশ্চিত, দশজনের মধ্যে অন্তত নজন দেখেননি। লিখেছেন রাজেশ মুখার্জি।।