‌কারও ‘‌দাদা’‌ হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি

সোশ্যাল মিডিয়ায় আচ্ছন্ন প্রজন্মের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, জ্যোতি বসু ঠিক কেমন ছিলেন। সিলেবাসেও নিজেকে ঢোকানোর চেষ্টা করেননি। ইউটিউব বা সবজান্তা গুগল ঘাঁটলেও বিরাট কিছু পাবেন না। ঢালাও বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারের আনুকূল্যে জ্যোতি বাবুদের ভেসে থাকতে হয় না। তাঁরা থেকে যান কাজে। তাঁরা থেকে যান চেতনায়। ‘‌জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, কী বিরাট ব্যক্তিত্ব’‌।‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

পাহাড় হাসছে, জ্যোতিবাবুকে কখনও এমন ঢাক পেটাতে হয়নি

আশির দশকেও পাহাড় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে। কীভাবে সামাল দিয়েছিলেন জ্যোতি বসু?‌ তাঁর জন্মদিনে সেই কথাই উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

জ্যোতিবাবু জঙ্গলের বড় বাঘের মতো

কয়েক বছর আগে, জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। বেঙ্গল টাইমসে সেই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল। এখনও মাঝে মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপন খেয়ালে লেখাটি ঘুরে বেড়ায়। সেই লেখাটি তুলে ধরা হল।

দলে সৌরভ, বাদ স্নেহাশিস!‌

রনজি ট্রফিতে কীভাবে অভিষেক হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির?‌ কার বদলে দলে এসেছিলেন?‌ এক জমজমাট ছবির চিত্রনাট্য হতেই পারে। সৌরভের জন্মদিনে সেই রনজি ফাইনালের কথা তুলে আনলেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।