রেড রোডে আজ জমকালো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। শপথের বয়ান কী হবে, মোটামুটি জানা। কিন্তু যদি অন্যরকম শপথ হত। যদি অকপটে সব মনের কথা বলতে পারতেন, যদি ভুলগুলো স্বীকার করে সেগুলো শুধরে নেওয়ার অঙ্গিকার করতেন! এমনই এক শপথবাক্যের খসড়া। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
১৯৮৫ সালের ১০ ই মে এই দিনটিতে প্রমথনাথ বিশী আমদের ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন । কেমন ছিলেন রসিক প্রমথ নাথ ? কেমন ছিলেন মানুষ বিশীদা ? লেখক ঔপন্যাসিক,সমালোচক এবং অধ্যাপক প্রমথনাথ বিশীর স্মৃতিচারণায় লেখক প্রকাশক সবিতেন্দ্রনাথ রায় ।
তাঁর স্মৃতিচারণ শুনে এসে লিখলেন শোভন চন্দ ও অয়ন দাস
জোট সরকার কি ক্ষমতায় আসছে? এখনও পরিষ্কার নয়। যদি আসে, কেমন হতে পারে মন্ত্রীসভার চেহারা ? কংগ্রেসকে কতগুলি দপ্তর ছাড়া হতে পারে ? কে হতে পারেন উপমুখ্যমন্ত্রী? কার হাতে কোন দপ্তর থাকতে পারে ?
মন্ত্রীসভা গঠনের অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে। কংগ্রেসকে পর্যাপ্ত দপ্তর ছাড়তে হবে। শরিকদেরও সামিল করতে হবে। যাঁরা বিভিন্ন দপ্তরের উপযোগী হতে পারেন, তাঁরা সবাই যে জিতবেন, এমনও নয়। যাঁদের জেতার তেমন সম্ভাবনা নেই, তাঁদের মন্ত্রীসভায় আনা হয়নি। অনেক নতুন প্রার্থী। তাঁদের কার কেমন যোগ্যতা ও দক্ষতা, সে সম্পর্কেও সম্যক ধারণা নেই। তাই তারুণ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ইচ্ছে থাকলেও অজ্ঞতার কারণে অনেককেই মন্ত্রীসভার বাইরে রাখতে হচ্ছে।
তবু বেঙ্গল টাইমসের পক্ষ থেকে জোট সরকারের বিকল্প মন্ত্রীসভা পেশ করা হল।।
নিছকই একটি কাল্পনিক চিঠি। কী জানি, মনে মনে হয়ত এটাই সত্যিকারের চিঠি। জাভেদ খান যদি চিঠি লিখতে পারলেন, তাঁকে যদি বলা হত ভোটের পর শতরূপ ঘোষকে একটা চিঠি লিখতে, তিনি ঠিক কী লিখতেন ? কীভাবে দেখতেন কসবা কেন্দ্রে তরুণ-তুর্কি শতরূপের লড়াইকে ? দমকলমন্ত্রীর বয়ানে সেই চিঠিই লিখলেন প্রসূন বসু ।।
কফিহাউসের গানের কথা অনেকেই জানেন। অনেকেরই মুখস্থ। কিন্তু কফিহাউস পার্ট টু শুনেছেন? এটিও মান্না দে-র রেকর্ড করা। গানটি সেভাবে শোনা যায় না। জন্মদিনে মান্না দে-র প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য। সেই গানটি প্রকাশ করা হল বেঙ্গল টাইমসে।
মান্না দে-কে নিয়ে সিনেমা। তাতে অভিনয় করছেন স্বয়ং মান্না দে ! কফিহাউসে বসে গাইলেন অমরত্ব পাওয়া সেই গান। শুটিংয়ের টুকরো টুকরো নানা মুহূর্ত তুলে ধরলেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়। তাঁর মুখোমুখি মৌতান ঘোষাল ।।
জন্মদিনে কিংবদন্তি শিল্পীর প্রতি বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।।
নয়ের দশকের গোড়ার দিক। হঠাৎ দুটি শব্দ চালু হয়ে গেল ‘বসু ফর্মুলা।’ আর সেই ফর্মুলার সঙ্গে জড়িয়ে আছে সদ্যপ্রয়াত কান্তি বিশ্বাসের নাম। ভারতীয় রাজনীতিতে আলোড়ন তুলে দেওয়া একটি ঘটনা। কী ছিল সেই ফর্মুলা ? কীভাবে জড়িয়ে ছিলেন কান্তি বিশ্বাস? সেই ইতিহাসকে ফিরে দেখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
শোভন চন্দ ২৩শে এপ্রিল আজ থেকে ঠিক ৪০০ বছর আগে এই দিনটিতে এক বিদেশি সাহেব আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়েছিলেন ।৪৫০ বছর আগের কথা ইংল্যাণ্ডের ষ্ট্র্যাটফোর্ড আপন এভনে একটি লোক...
একসঙ্গে সাত জেলায় ভোট। সবার চোখ বীরভূমে। সবার চোখ গুড়বাতাসায়। ভোটে যেই জিতুক, আসল জয় গুড়বাতাসার। ল্যাংচা, মিহিদানা, সরভাজা, পান্তুয়া- সবাই দশ গোল খেল গুড়বাতাসার কাছে। কেষ্টবাবুর হাত ধরে এ যেন হারিয়ে যাওয়া মিষ্টির নবজন্ম। এই নিয়েই বিশেষ লেখা- ‘‘গুড়বাতাসার আত্মকথা’’। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদনঃ তখন সারদা কেলেঙ্কারির তদন্ত চলছে। মু্খ্যমন্ত্রী মঞ্চ থেকে হুঙ্কার দিলেন, এবার ‘আমাদের বুদ্ধিজীবীদের’ও বলছি, আপনারাও পথে নামুন। মুখ্যমন্ত্রীর হুকুম বলে কথা। গুটি গুটি পায়ে মিছিল করতে নেমে...