জন্মদিনে মারাদোনার বাড়িতে পেলে!
(আজ, ৩০ অক্টোবর মারাদোনার জন্মদিন। ঠিক এক সপ্তাহ আগে পেরিয়ে গেছে পেলের জন্মদিন। দুই কিংবদন্তিকে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। কাল্পনিক আড্ডায় আড্ডায় উঠে এল কলকাতা। সেই আড্ডায় আপনিও সামিল হতে পারেন।)
তুঘলকটা কেমন যেন চেনা চেনা
নাটকের কিছুই তিনি বোঝেন না। তবু পাকামি করে নাটক দেখতে চলে যান। ভাবেন, নাটক দেখলে লোকে হয়ত ‘বুদ্ধিজীবী’ বলবে। এবার গেলেন ‘তুঘলক’ নাটক দেখতে। বললেন, সেই তুঘলক নাকি এখনও আছে। আজগুবি এক রিভিউ লিখলেন রবি কর।
মা দুর্গার চিঠিঃ এখন থেকে শুধরে নে
বড়ন্তি ডাকে
চলে গেলেন, কিন্তু থেকেও গেলেন পীযূষ
কেউ ভালবাসেন নাটক, কেউ সিনেমা, কেউ মগ্ন সিরিয়ালে। এই তিন শ্রেণীর দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে। কেউ অন্যকে দেখে নাক সেঁটকান, আবার কেউ অন্যকে বলেন ‘আঁতেল’। পীযূষ গাঙ্গুলি বোধ হয় তিনটে শ্রেণীকে এক আঙিনায় এনেছিলেন। তাই শোক ও শূন্যতায় মহামিলন তিন শ্রেণীর। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
মুখপাত্র চাই
এখনও প্রেস কনফারেন্স করে চলেছেন বিমান বসু। নতুন কোনও মুখ আনা যায় না? টিভিতেও শুধু কলকাতার নেতাদেরই দাপাদাপি। যেন কলকাতাটাই বাংলা। তার বাইরে কেউ কিছুই বোঝে না। টিভিতেও চাই নতুন মুখ। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে
পেলেদা, জন্মদিনে বিজয়ার পেন্নাম নেবেন
আজ পেলের জন্মদিন। আবার আজ বাঙালির বিজয়া দশমী। জন্মদিনে পেলেকে বিজয়ার প্রণাম। কিন্তু আমরা তাঁর জন্মদিনের কেক দশদিন আগেই কেটে দিয়েছিলাম। পেলেবাবুর নিশ্চয় মনে আছে। জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন সরল বিশ্বাস।।
বিশ্বাস করতেও পারেন, নাও পারেন
আজ, ২৩ অক্টোবর পেলের ৭৫ তম জন্মদিন। কয়েকদিন আগেই এই বাংলা থেকে ঘুরে গেলেন ফুটবল সম্রাট। তাঁর জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। পেলের কলকাতা সফরের সময় প্রকাশিত একটি রম্য রচনা আবার প্রকাশ করা হল। লিখেছেন রবি কর।।
বিশ্বাস করা না করা আপনার মর্জি। পড়তে তো বাধা নেই। বিসর্জনের দিনে একটু আনন্দ পেলে মন্দ কী ? ধরেই নিন সব চরিত্র কাল্পনিক।।
