এতবার ডুয়ার্সে এসেছি। কিন্তু এমন একটা জায়গায় কেন আসিনি! নিজেদের ওপরই রাগ হল। নৌকোয় বাবুও সঙ্গে ছিল। ভাগ্যিস বাবু সিকিয়াঝোরার প্রস্তাবটা দিল! নইলে তো এবারও আসা হত না। অন্তত আমাদের পরিকল্পনার মাঝে কোথাও ছিল না এই উত্তরের অ্যামাজন। বাবুকে কী ভাষায় ধন্যবাদ জানাব! শব্দভান্ডারের কোনও শব্দই জুৎসই মনে হল না। আমাদের রোমাঞ্চ, আমাদের মুগ্ধতা দেখে যা বোঝার, ও বুঝে নিক।
কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
এই রে! নন্দ ঘোষ জেনে গেছেন, আজ বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। তাঁর দাবি, তিনি বিদ্যাসাগর নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, এমন সাধ্য কার আছে ? আসুন দেখা যাক, জন্মদিনে তিনি কীভাবে শ্রদ্ধা (সরি, শ্রাদ্ধ) জানান।
দুদিনের রাজ্য কমিটির সভা। জোট নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা। তর্ক-বিতর্ক। পলিটবুরো, গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতা। ভারি ভারি সব আলোচনা। বিপর্যয়ের আসল কারণগুলো নিয়ে আলোচনাই হল না। কোথায়, কেন সাফল্য, সেটুকুও আড়ালেই থেকে গেল। বিপর্যয়ের পরেও অন্য একদি দিকে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।।
সিপিএম-তৃণমূল বা মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের লড়াই তো আছেই। ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির বাগযুদ্ধ ? সবাইকে ছাপিয়ে যেতে পারে পিকে-অমল জুটি। সেই অমল দত্ত শয্যাশায়ী, বাকরুদ্ধ। কাউকে নাকি চিনতেও পারছেন না। পি কে ব্যানার্জি, প্লিজ আপনি একবার বাগুইআটির বাড়িতে যান। আপনার ভোকাল টনিক দিয়ে উজ্জীবিত করে আসুন চির প্রতিদ্বন্দ্বীকে। কিংবদন্তি কোচকে নিয়ে মর্মস্পর্শী লেখা লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
দুর্গম পথ পেরিযে এক রূপকথার দেশে।বক্সা ফোর্ট পেরিয়ে ছোট্ট একটি গ্রাম লেপচা খা। পাহাড়ি সেই উপত্যকা থেকে ঘুরে এসে কলম ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার ।।
রেড রোডে আজ জমকালো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। শপথের বয়ান কী হবে, মোটামুটি জানা। কিন্তু যদি অন্যরকম শপথ হত। যদি অকপটে সব মনের কথা বলতে পারতেন, যদি ভুলগুলো স্বীকার করে সেগুলো শুধরে নেওয়ার অঙ্গিকার করতেন! এমনই এক শপথবাক্যের খসড়া। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
একসঙ্গে সাত জেলায় ভোট। সবার চোখ বীরভূমে। সবার চোখ গুড়বাতাসায়। ভোটে যেই জিতুক, আসল জয় গুড়বাতাসার। ল্যাংচা, মিহিদানা, সরভাজা, পান্তুয়া- সবাই দশ গোল খেল গুড়বাতাসার কাছে। কেষ্টবাবুর হাত ধরে এ যেন হারিয়ে যাওয়া মিষ্টির নবজন্ম। এই নিয়েই বিশেষ লেখা- ‘‘গুড়বাতাসার আত্মকথা’’। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
বাকিরা হাত পেতে টাকা নিলেন। যা পেলেন, তাই নিলেন। একমাত্র হাকিমবাবু নিলেন না। বললেন, এই টাকা আমরা নিলে ছোট ছেলেরা কী নেবে? বুঝিয়ে দিলেন, মাত্র পাঁচ লাখে তাঁকে কেনা যায় না। তাঁর এই মহানুভবতা ও স্বার্থত্যাগকে বাঙালি বুঝল না। এই আকালে বাঙালির মর্যাদা তিনিই রক্ষা করলেন। তাঁকে খোলা চিঠি লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
কেউ ভালবাসেন নাটক, কেউ সিনেমা, কেউ মগ্ন সিরিয়ালে। এই তিন শ্রেণীর দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে। কেউ অন্যকে দেখে নাক সেঁটকান, আবার কেউ অন্যকে বলেন ‘আঁতেল’। পীযূষ গাঙ্গুলি বোধ হয় তিনটে শ্রেণীকে এক আঙিনায় এনেছিলেন। তাই শোক ও শূন্যতায় মহামিলন তিন শ্রেণীর। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।