কোনও এক রাজ্যে, কোনও এক সরকারি হাসপাতালে, গুডবার্ন নামে একটি ওয়ার্ড আছে। সেখানে ভর্তি ছিলেন বদন নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। সম্প্রতি তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। বদনকে হারিয়ে গুডবার্ন ওয়ার্ড কী ভাবছে ? তার বোবা কান্না সেই পথ দিয়ে যেতে যেতে শুনে ফেললেন রবি কর।।
নাটকের কিছুই তিনি বোঝেন না। তবু পাকামি করে নাটক দেখতে চলে যান। ভাবেন, নাটক দেখলে লোকে হয়ত ‘বুদ্ধিজীবী’ বলবে। এবার গেলেন ‘তুঘলক’ নাটক দেখতে। বললেন, সেই তুঘলক নাকি এখনও আছে। আজগুবি এক রিভিউ লিখলেন রবি কর।
রবি কর কাকে উদ্দেশ্য করে যে লিখব সেটাই বুঝতে পারছি না। কাকে লিখলে ফল হবে? কে নিজেকে সংশোধিত করার চেষ্টা করবে? আর কে আমাকে জগ ছুঁড়ে মারবে? বুঝতে পারছি না।...
রবি কর “তোমার প্রতি চাহিয়া আমাদের বিস্ময়ের সীমা নাই”- রবীন্দ্রনাথের সম্বর্ধনায় এমনই মানপত্র পাঠ করেছিলেন আচার্য জগদীশচন্দ্র। মানপত্র রচনা করেছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র অথবা জগদীশচন্দ্রকে আমরা দেখিনি। দেখলে কতটা...