সৌরভের বার্তা গম্ভীর আদৌ বুঝবেন তো!‌

অজয় নন্দী এ যেন সেই শিয়াল আর সারসের গল্প। একদিন শিয়াল তার বাড়িতে নেমন্তন্ন করল প্রতিবেশী সারসকে। একে তরল খাদ্য, তার ওপর খেতে দিল থালায়। শিয়াল খেয়ে নিলেও বেচারা সারসকে...

সুরের ‘‌সলিলে’‌ প্রতিদিনই অবগাহন করি

বাঙালির কাছে প্রেমের গান মানেই একঝলক শীতল বাতাসের মতো, যে হাওয়াতে ফুল গাছে গাছে ফুল ফোটে। আর প্রতিবাদের গানের প্রকাশ হল ঝোড়ো হাওয়ার মতো, যা যে কোনও অন্যায়, অবিচার বা অনাচারকে ঝড়ের মতো উড়িয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু প্রেমের গান যদি ঝোড়ো বাতাসের মতো হয়? প্রেমের গানের মধ্যেও যদি ঝোড়ো হাওয়ার মতো একটা শিহরণ থাকে? তখন তা মনে হয় কথা, সুর এবং নিবেদনে অনন্য হয়ে ওঠে। এই অনন্যতার নামই সলিল চৌধুরি।জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে কলম ধরলেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

অডিওবুকের এই রমরমা, শুরু করেছিলেন সলিলই

তাঁর জন্ম শতবর্ষে তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি কিঞ্চিত আত্ম সমালোচনাও জরুরি। সেদিন না বুঝেছিল সরকার, না বুঝেছিল ক্যাসেট কোম্পানি, না বুঝেছিল প্রকাশনা সংস্থা। শোনা যায়, সলিল চৌধুরি তখন পরম আক্ষেপ নিয়ে বলেছিলেন, অডিও মাধ্যমে সাহিত্য কতটা জনপ্রিয় হতে পারে, এখন কেউ বুঝতে পারছে না। একদিন সবাই বুঝবে। আমি যেটা করতে পারলাম না, একদিন সেই রাস্তায় সবাইকেই হাঁটতে হবে।