ভাইপো নয়, এবার ‘‌ভাগ্নে’‌ বলতে শিখুন

আর তাঁকে ভাইপো ভাইপো বলে ডাকার কোনও মানে হয় না। ভাইপো হয়ে রাজ্যের গন্ডিতে সুরক্ষিত থাকা যায়, মাতব্বরি করা যায়। কিন্তু ‘‌ভাইপো’‌ তকমাটা সিবিআইয়ের কাছে বাঁচার জন্য যথেষ্ট নয়। সেখানে আরও প্রভাবশালী কারও ‘‌ভাগ্নে’‌ হতে হয়। কাজেই সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে তাঁকে মোদির ‘‌ভাগ্নে’‌ বলা যায় কিনা, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভেবে দেখতে পারেন।

কী কেন্দ্র, কী রাজ্য, জল ঘোলা করাতেই যত আনন্দ

প্রশ্নটা হল সদিচ্ছা আর শিক্ষা নিয়েই। শিক্ষা মানে নিছক ডিগ্রি নয়। প্রশাসন চালাতে গেলে ন্যূনতম কিছু প্রশাসনিক শিক্ষাদীক্ষা লাগে। জালি ডিগ্রি হয়তো জোগাড় করা যায়, কিন্তু তাতে শিক্ষার ঝুলি অপূর্ণই থেকে যায়। কী কেন্দ্র, কী রাজ্য, এই শিক্ষার বড়ই অভাব। মাথাগুলোকে দেখলেই সেটা আরও ভাল করে বোঝা যায়। চেয়ারকে অনেক সম্মান দেখানো হয়েছে। আকাট মূর্খদের এবার আকাট মূর্খ বলার সময় এসেছে।

আসল কাজটা সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে

সবাই সবকিছু বোঝে। কাউকে কিছু বোঝাতে যাবেন না। আপনি যেটা ফেসবুক দেখে জেনেছেন, সেই মানুষটা সেটা জেনেছেন জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে। রাস্তায় নামা, গণ আন্দোলন গড়ে তোলা। এগুলো তো অনেক বড় ব্যাপার। আগে এই ছোট ছোট কাজগুলো শুরু হোক। শূন্যের গেরো এমনি এমনি কাটবে না। কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে।

শূন্য পাওয়া পিকেই কিন্তু ম্যান অফ দ্য ম্যাচ

এত সহজে সরে যাওয়ার বান্দা তিনি নন। অন্তত আরও পাঁচটা বছর তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। ডাক শুনে কেউ না এলে তিনি একলাই চলবেন। কে বলতে পারে, পাঁচ বছর পর বিহারে অন্য এক ইতিহাস লেখা হবে না!‌

সৌরভের বার্তা গম্ভীর আদৌ বুঝবেন তো!‌

অজয় নন্দী এ যেন সেই শিয়াল আর সারসের গল্প। একদিন শিয়াল তার বাড়িতে নেমন্তন্ন করল প্রতিবেশী সারসকে। একে তরল খাদ্য, তার ওপর খেতে দিল থালায়। শিয়াল খেয়ে নিলেও বেচারা সারসকে...

সুরের ‘‌সলিলে’‌ প্রতিদিনই অবগাহন করি

বাঙালির কাছে প্রেমের গান মানেই একঝলক শীতল বাতাসের মতো, যে হাওয়াতে ফুল গাছে গাছে ফুল ফোটে। আর প্রতিবাদের গানের প্রকাশ হল ঝোড়ো হাওয়ার মতো, যা যে কোনও অন্যায়, অবিচার বা অনাচারকে ঝড়ের মতো উড়িয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু প্রেমের গান যদি ঝোড়ো বাতাসের মতো হয়? প্রেমের গানের মধ্যেও যদি ঝোড়ো হাওয়ার মতো একটা শিহরণ থাকে? তখন তা মনে হয় কথা, সুর এবং নিবেদনে অনন্য হয়ে ওঠে। এই অনন্যতার নামই সলিল চৌধুরি।জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে কলম ধরলেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

অডিওবুকের এই রমরমা, শুরু করেছিলেন সলিলই

তাঁর জন্ম শতবর্ষে তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি কিঞ্চিত আত্ম সমালোচনাও জরুরি। সেদিন না বুঝেছিল সরকার, না বুঝেছিল ক্যাসেট কোম্পানি, না বুঝেছিল প্রকাশনা সংস্থা। শোনা যায়, সলিল চৌধুরি তখন পরম আক্ষেপ নিয়ে বলেছিলেন, অডিও মাধ্যমে সাহিত্য কতটা জনপ্রিয় হতে পারে, এখন কেউ বুঝতে পারছে না। একদিন সবাই বুঝবে। আমি যেটা করতে পারলাম না, একদিন সেই রাস্তায় সবাইকেই হাঁটতে হবে।

‌আসল অপদার্থ কে, অভিজিৎবাবু বুঝিয়েই দিলেন

ঘৃণা যদি করতেই হয়, ভুইফোঁড় ভাইপো বা তাঁর পিসিকে নয়। যে লোক দুটো সিবিআই বা ইডিকে এতখানি অপদার্থতার স্তরে নামিয়ে এনেছেন, তাঁদের করুন। ধন্যবাদ অভিজিৎবাবু, সহজ কথাটা এত সহজভাবে বলার জন্য। আপনি প্রণম্য ছিলেন, আছেন, থেকেও যাবেন।

কবিতা:‌ পিছুটান

‌পিছুটান স্বরূপ গোস্বামী নদীর পাশে দাঁড়িয়ে থাকি রোজ ভিড় করে আসে অনেক স্মৃতির ঢেউ একাকী এই দীর্ঘশ্বাসের মাঝে উঁকি দিয়ে যায় কেউ কেউ। অনুকূলে বইছে অনেক কিছু আমি তো চলি...

অকারণ আতঙ্ক তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন

মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিতে হবে। এটা নিয়ে কি কোনও দলের কোনও দ্বিমত আছে?‌ এটা তো সব দলেরই দাবি। কোনও দলই কি দাবি করেছে যে, মৃত ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায়...