পড়া আর শোনা দিব্যি মিশে গেছে

যাঁরা হয়ত হাতে বই নিয়ে পড়তেন না, তাঁরা বাসে বা ট্রেনে যেতে যেতেও দিব্যি শুনে নিচ্ছেন পছন্দের গল্প, উপন্যাস। তাঁরা হয়তো প্রত্যক্ষ পাঠক নন। কিন্তু পরোক্ষ পাঠক তো বলাই যায়। এই ইউডিউব আর অডিও বুকের হাত ধরে যদি বাংলা সাহিত্যে কানের মধ্যে দিয়ে মনে ঢুকে পড়ে, মন্দ কী?‌

ওখড়ে সুন্দরীর কোলে দু’‌রাত

কাছাকাছি পায়ে হেঁটে গ্রাম ঘুরতে বেশ ভালো লাগল। সঙ্গে এবার বাপানও যোগ দিয়েছে। শান্ত, নিরিবিলি। মাঝে মাঝে ফেয়ারি টেলসের বাড়ির মতো রঙিন ছোট্ট ছোট্ট বাড়ি। শরতের মতো নীল আকাশ মাঝে মাঝে সাদা মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে। নানা রঙের প্রেয়ার ফ্ল্যাগ উড়ছে। রাস্তার দু’‌পাশে আপন খেয়ালে রংবেরংয়ের ফুল ফুটে আছে। কোনও যত্ন ছাড়াই বড় হচ্ছে তারা।

সরকারই যেন কুস্তি লড়তে নেমেছে

কুস্তিটা আসলে কার সঙ্গে কার?‌ মনে হতেই পারে, কুস্তি ফেডারেশনের নির্বাচনে কে জিতলেন, তাতে কুস্তিগিরদের কী যায় আসে!‌ যদি যায় আসেও, তাহলে কেউ পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দিচ্ছেন, কেউ খেলরত্ন ফিরিয়ে দিচ্ছেন।...

শেষ পাতা যেন শেষ পাতাতেই আটকে গেছে

একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়। এখন নাকি মানুষ কাগজ পড়ে না। অভিযোগটা হয়তো আংশিক সত্যি। কিন্তু কাগজের পাতা তো বেড়েছে। আট পাতা থেকে ষোল বা কুড়ি পাতা হয়েছে। আনুপাতিক হারে তো খেলার জন্য চার বা পাঁচ পাতা বরাদ্দ থাকার কথা। সেটা কমতে কমে এক পাতায় নেমে এল কেন?‌ সত্যিই কি মানুষ পড়ছে না বলে খবর কমে যাচ্ছে?‌ নাকি উল্টোটা?‌ আকর্ষণীয় খবর থাকছে না বলে পাঠক আগ্রহ হারাচ্ছেন?‌