‌তোমার বাড়ি আমার বাড়ি মকাইবাড়ি, মকাইবাড়ি

আপনার কাছেই তো সেই ঐতিহাসিক নকশালবাড়ি। সেখানে গণ অভ্যুত্থানের সময় একটা স্লোগান উঠেছিল, ‘তোমার নাম, আমার নাম/ভিয়েতনাম ভিয়েতনাম।’ তখন আমার জন্মও হয়নি। কিন্তু স্লোগানটার কথা কতবার যে শুনেছি! ওই ছন্দের সঙ্গে মিলিয়ে বলতে ইচ্ছে করত, ‘তোমার বাড়ি, আমার বাড়ি/মকাইবাড়ি মকাইবাড়ি।’

অধীর হতে গেলে বুকের পাটা লাগে‌

অধীর শুধু কংগ্রেসের প্রতীক নন। তিনি আসলে লড়াইয়ের প্রতীক। লড়াই কঠিন জেনেও হাল না ছাড়ার প্রতীক। যে বামেরা একসময় অধীরকে চরম অপছন্দ করতেন, অধীরের জয়ে তাঁরাও কি খুশি হবেন না?‌ বিজেপি–‌র নিচুতলার কর্মীরাও নিশ্চয় অখুশি হবেন না। এমনকী তৃণমূলের ভেতরের বিরাট একটা অংশও মুখে যাই বলুন, মনে মনে খুশিই হবেন। হ্যাঁ, এটাই অধীরের ক্যারিশ্মা।

সব চা একইরকম, প্যাকেটগুলো আলাদা

একবার লন্ডনে হোটেলে সকালে চা খাচ্ছি। ম্যানেজার দেখলাম, দাঁড়িয়ে আছে। কিছু বলবে। আমি তাকালাম। ম্যানেজার বলল, স্যার, এটা ফেমাস দার্জিলিং টি। ওই ছোকরা আমাকে দার্জিলিং চেনাচ্ছে। ও জানে না যে দার্জিলিংটা পশ্চিমবঙ্গে আর আমি সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী। ও জানুক আর না জানুক, বিদেশির মুখে দার্জিলিং চায়ের সুনাম শুনে ভাল লাগল। বেশ গর্বই হল। কিন্তু দার্জিলিং চা খেতে আমাকে লন্ডন যেতে হবে কেন?‌ এখানে কেন পাব না?‌ আজ বুঝতে পারছি, এই সৌগতবাবুরা সব চা–‌ই বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।