‘‌দিদি’‌কে বলতে হবে কেন?‌

মুখ্যমন্ত্রীকেও পাল্টা প্রশ্ন করা যেতে পারে, সব যদি আপনাকেই বলতে হয়, তাহলে এমন অপদার্থদের বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী বানিয়েছেন কেন?‌ এমন লোকেদের পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বা জেলা পরিষদের সভাধিপতি বানিয়েছেন কেন?‌ মেনেই নিলাম, আপনি সব সমাধান করতে পারেন। কিন্তু আপনি এই অযোগ্য এবং অকর্মন্যদের নেত্রী। এটা ভেবে লজ্জা হয় না?‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

লোকে যতটা পাগল ভাবে, অতটা পাগলও নই

মুখোমুখি দুই কিংবদন্তি। কিশোর কুমারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন লতা মঙ্গেশকার! না, কাল্পনিক ঘটনা নয়। সত্যিই এমনটা হয়েছিল। কিশোর কুমারের জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।

পুজো সংখ্যায় এত তাড়াহুড়ো কেন?‌

আনন্দমেলা পুজো সংখ্যা বেরোলো গত সপ্তাহে। সাতদিন যেতে না যেতেই আনন্দবাজার। এত তাড়াহুড়োর কী আছে?‌ পাঠককে পড়ার সময় দিতে হবে তো। আনন্দবাজার হাতে এসে যাওয়া মানেই আনন্দমেলার প্রতি অবিচার হবে। তাকে তোলাই থাকবে। এ তো মাংস পড়তে না পড়তেই মিস্টি, দই দেওয়ার মতোই ব্যাপার। একই প্রতিষ্ঠান থেকে যখন বেরোচ্ছে, তখন একটু সমন্বয় থাকলে ক্ষতি কী?‌ লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।

লাল কাঁকড়ার ভিড়ে, নির্জন সেই সৈকতে

নামেই ভিনরাজ্য। আসলে, একেবারেই পড়শী। দিঘা পেরিয়ে একটু গেলেই তালসারি। সেখান থেকে ঢুঁ মেরে আসতেই পারেন বিচিত্রপুর। সৈকত জুড়ে লাল কাঁকড়ার মিছিল। নির্জনতা আর অরণ্য মিলিয়ে অন্য এক অনুভূতি। দুদিনের সেই ঝটিকা সফরের কথা উঠে এল তানিয়া বর্ধন ঘোষের কলমে।