টাকার হাতছানি থেকে রেহাই দিন রামকৃষ্ণকে

রামকৃষ্ণ যদি চাইতেন, সামান্যতম ইচ্ছেও প্রকাশ করতেন, সেই যুগে তাঁকে সোনায় মুড়ে দেওয়ার জন্য প্রচুর মানুষ এগিয়ে আসতেন। এসেও ছিলেন। সেই ‘লোভ’-টাকে বর্জন করতে পেরেছেন বলেই আজ তিনি ঠাকুর রামকৃষ্ণ।সেই তাঁর ঘরেই কিনা, এত টাকা-পয়সার গন্ধ? খাট ঘিরে ওই দান বাক্সগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, ঠাকুর যেন কয়েদখানায় বন্দী! লিখেছেন তপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডাক্তারদের দায়িত্ব এড়াতে কে বাধ্য করছেন!‌

আমরা ডাক্তার! আমাদের নাকি অনেক টাকা! আমরা নাকি একাই সরকারের ভর্তুকির টাকায় পড়ি! তৈরি হোন। ‘‌আপনি বাঁচলে বাপের নাম’‌ চিন্তাধারা আমাদের মধ্যে গজিয়ে তুলেছে সমাজ। নিজের বাবা-মা যাতে সন্তানহারা না হয়, তাই বহু বাবা-মা কে সন্তানহারা করার মানসিকতা ভেতরে ভেতরে তৈরি হচ্ছে। প্রস্তুত থাকুক সমাজ। কর্মফল ভুগতে হবেই আমজনতাকে।

আমরা নির্লিপ্ত ছিলাম, কিন্তু আজ আমাদের পাশে সবাই

আমরা একের পর এক অন্যায় দেখেছি। রুখে দাঁড়াইনি। প্রতিবাদটুকুও করিনি। আজ আমরাই রাষ্ট্রের চোখরাঙানির মুখে। কী আশ্চর্য, আজ সবাই আমাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এক চিকিৎসকের বয়ানে উঠে এল এমনই উপলব্ধির কথা।