সুমিত চক্রবর্তী
বিশ্বকাপে সব কাগজ থেকেই কেউ না কেউ গেছেন। কোনও কোনও কাগজ থেকে দুজনও গেছেন। কিন্তু কী আশ্চর্য! বিশ্বকাপে আনন্দবাজারের কোনও সাংবাদিক নেই!
অনেকেই বিশ্বকাপ শুরুর তিন চার দিন আগেই পৌঁছে গেছেন। কিন্তু আনন্দবাজার প্রতিনিধির দেখা নেই। শোনা যাচ্ছে, রতন চক্রবর্তীর নামে অ্যাক্রেডিটেশন হয়েছে। তবে, তিনি যাবেন গ্রুপ লিগের খেলাগুলি শেষ হওয়ার পর। অর্থাৎ, নক আউট পর্ব থেকে নিজস্ব কভারেজ দেখা যাবে।
আপাতত সামাল দিচ্ছেন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস। চার বছর আগে ব্রাজিলের বিশ্বকাপেও নিজের উদ্যোগে গিয়েছিলেন দীপেন্দু। এবার তিনি বিধায়ক। এবারও গিয়েছেন। তাঁর বয়ানেই আপাতত কিছু লেখা বেরোচ্ছে। এখান থেকেই ফোনে পয়েন্টস নিয়ে লেখা তৈরি হচ্ছে। কিছুটা দীপেন্দু বলছেন, বাকিটা জল মেশানো চলছে। আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে চলছে বিশ্বকাপ ডায়েরি।

